বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক:: ঢাকার নবাবগঞ্জে নিঃসন্তান চাচা মো. শাজাহানের সম্পত্তির ওয়ারিশ দাবি করেছেন তাঁর ভাইপো আহমেদ জুয়েল ও পরিবারের অন্য সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, চাচার মৃত্যুর পর সম্পত্তির ওয়ারিশানা নিয়ে বিরোধের মধ্যে চাচি সাহিদা বেগম ওই জমি অন্যত্র বিক্রি করে দিয়েছেন।
মঙ্গলবার দুপুর দুইটায় নিজেদের ভবনের একটি অফিস কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে আহমেদ জুয়েল ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বলেন, নিঃসন্তান চাচার সম্পত্তিতে তাঁদের ওয়ারিশি অধিকার রয়েছে। কিন্তু জমি অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়ায় তাঁরা নিজেদের অধিকার নিয়ে উদ্বিগ্ন। এ ঘটনায় তাঁরা সম্পত্তির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, সম্পত্তির মালিকানা ও ওয়ারিশানা নির্ধারণের বিষয়টি সুরাহা হওয়া প্রয়োজন। ১৯৬৬ সালে সাহিদা বেগমের সাথে তার চাচা শাজাহানের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে কোনো সন্তানাদি নেই। পৌণে ৭ শতাংশ জমিতে সাহিদা বেগম ভোগ দখল করে আছেন। গত বৃহষ্পতিবার কাশিমপুর এলাকার হযরত আলীর নিকট সাবকবলা রেজিষ্ট্রি করে বিক্রি করা হয়। সোমবার জমিটি দখল বুঝে নিতে আসে হযরত আলী। এসময় আহমেদ জুয়েল গং বাধা দেয়।
আহমেদ জুয়েল বলেন, সীমানাবন্ট, ভোগ দখল এবং ওয়ারিশ দাবি করে আদালতে ৪টি মামলা করেছেন তারা। মামলা তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় জমিটি কিভাবে বিক্রি করা হয়।
এ বিষয়ে সাহিদা বেগম বলেন, তিনি তার স্বামীর ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রি করেছেন। দীর্ঘদিন তিনি তার জমিটি বিক্রির চেষ্টা করলে তার দেবরের ছেলেরা ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি আত্মসাতের চেষ্টা করে। তিনি সম্প্রতি নবাবগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রিও করেছেন বলে জানান।
হয়রত আলী বলেন, জমির কাগজপত্র ও খাজনা খারিজ দেখেই নিবন্ধন করা হয়েছে। এতে কেউ বাধা দিতে এলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।